শনিবার, ১২ Jun ২০২১, ০৯:০১ অপরাহ্ন

শিরোনামঃ
কালিগঞ্জে হারুন এগ্রিকালচার ফার্ম পুকুরে বিষ প্রয়োগ, ৩ লক্ষ টাকার ক্ষতি সলঙ্গার রামকৃষ্ণপুরে ডিজিটাল কায়দায় বয়স্ক ভাতার টাকা চুরি কাজিপুরে মৎস্য কর্মকর্তার অভিযানে ২৫ টি চায়না জাল জব্দ আওয়ামী লীগ নেতাকে মারপিট,মনিগ্রাম বাজারে আতংক এখন আফাজ কামারখন্দে কৃষিজমিতে নদীখননের বালি রাখার প্রক্রিয়ার প্রতিবাদে কৃষকদের বিক্ষোভ সিরাজগঞ্জে বিদ্যুৎ গ্রাহকদের নানা অভিযোগের প্রেক্ষিতে গণশুনানী কালিগঞ্জ থানায় কুখ্যাত চোর জালালসহ ওয়ারেন্টভুক্ত ০৪ আসামী গ্রেফতার সিরাজগঞ্জে জেলা পর্যায়ে করোনা প্রতিরোধ বিষয়ক কার্যক্রম সুসমন্বয়ের লক্ষ্যে-মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত নাগরপুরে দূর্যোগ বিষয়ক স্থায়ী আদেশাবলী অবহিতকরণ কর্মশালা কালিগঞ্জের হাড়দ্দহা গ্রামে জনকল্যাণার্থে নলকূপ স্থাপন করলেন যুক্তরাজ্য প্রবাসী শেখ নাসিরউদ্দীন

রাজশাহীর আমের বাজার মূল‍্য কম বলে দিশেহারা

আবুল হাশেম, স্টাফ রিপোর্টার :

আম মৌসুমে রাজশাহী অঞ্চলে প্রায় দশ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হয়। আম বাগান পরিচর্যা, সংগ্রহ ও পরিবহন, বিক্রিসহ অন্যান্য ধরনের কাজে যুক্ত হন তারা। সারাবছরে তাদের আয়ের অন্যতম মৌসুম এটি।

রাজশাহীর বাঘা উপজেলায় আমের মধ্যে ফজলি, হিমসাগর (খিরসাপাত), গোপালভোগ, মহনভোগ, ল্যাংড়া বিখ্যাত। এছাড়া বৌ-ভোলানি, রাণিপছন্দ, জামাই খুশি, বৃন্দাবন, তুতাপরি, লখনা, বোম্বাই, দাউদ ভোগ, সিন্দুরি, আম্রপালি, আশ্বিনা, ব্যানানা, মল্লিকা, ক্ষুদি খিরসাপাত, কালীভোগসহ শতাধিক জাতের আম রয়েছে।

মেসার্স শাহাদোলা ফল ভান্ডারের আম সরকার,দুলাল হোসেন বলেন- এ-ই বছর আমের মুল্য অন্যান্য বছরের থেকে অনেক কম। বাজারে আমের চাহিদা নেই বললেই চলে। মুকাবে আমের চাহিদা তেমন নেই এতে ব্যবসায়ীরা লোকসানের সম্মুখীন হতে পারে।আমের দাম এত কম কেন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন – বাজারে আমের আমদানি বেশি। সে তুলনায় ব্যবসায়ীরা কম এসেছেন। ক্রেতা কম থাকায় আমের দামও তুলনামূলক কম।

মোঃ রবি শেখ, বাঘা পুরাতন বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন বালিকা বিদ্যালয়ের দক্ষিণে পাইকারী ও খুচড়া আম বিক্রেতা জানান, এ বছর শ্রমিকদের মজুরি, সার ও কীটনাশক বেশি দিতে হয়েছে। ফলে আম উৎপাদনে খরচ বেশি হয়েছে। কিন্তু সে তুলনায় দাম পাওয়া যাচ্ছে না। ব্যবসায়ীরা বাজারে না আসা পর্যন্ত আমরা ন্যায্যমূল্য পাওয়া থেকে বঞ্চিত হব।মুকামে হিমসাগর ( খিরসাপাত) আমের চাহিদা ব্যতীত অন্যান্য আমের তেমন চাহিদা নেই। বাজার খবর নিয়ে জানা যায়, ২সাপ্তা আগে হিমসাগর আম ৫০-৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও বর্তমানে ৪০-৫০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে। তবুও এ-ই আম ছাড়া বাকি আমের মুল্য পাচ্ছে না ব্যবসায়ী গন।এছাড়া কয়েক গত বছরের থেকে চলতি বছরে অনলাইন আমের ব্যবসা অনেকগুন বেশী। এই করোনার কারণে বাজারে প্রায় ক্রেতা শুন্য।বাজারে নকনা আম ২০-২২ প্রতি কেজি ও ন্যাংড়া আম ৩৫-৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

বিভিন্ন ব্যবসায়ী দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, আমের এমন দাম তাদের ব্যবসার প্রতি আস্থা হারিয়ে যাচ্ছে। আমের দাম বছর পার হচ্ছে কম হচ্ছে। এমন ভাবে চললে তারা অনেক ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং ঋণের চাপ মাথায় উঠব। দেশে যে কয়েকটি আমের মোকাম রয়েছে, সবগুলোয় একই সঙ্গে আমবাজারে উঠেছে ও মোকামগুলো চালু হয়েছে। বাজারে আম বেশি থাকলেও ক্রেতা কম রয়েছে। ফলে চাষিরা দাম পাচ্ছেন না।

সর্বপরি এ-ই বছরে রাজশাহীর বাঘায় ব্যাপক আমের উৎপাদন হয়েছে তার যদি সঠিক দাম আম চাষিরা পেত তাহলে তারা অনেক লাভবান হত।কিন্তু আমের চাহিদা অন্যান্য বছরের মত এ বছর কম।

সংবাদটি শেয়ার করুন

© All rights reserved
error: Alert: Content is protected by Frilix Group