শনিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৩:২৫ পূর্বাহ্ন

শিরোনামঃ
চলতি মাসেই চালু হবে সিরাজগঞ্জ এক্সপ্রেস ট্রেন-রেলমন্ত্রী সিরাজগঞ্জে ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের আওতায় জেলা পর্যায়ের সেমিনার অনুষ্ঠিত বিশ্বনাথে ‘স্বপ্ন’র যাত্রা শুরু সলঙ্গায় সড়ক দুর্ঘটনায় এক পথচারীর মৃত্যু আওয়ামীলীগ বাংলাদেশের রাজনীতিতে সবসময়ই অত্যন্ত শক্তিশালী ও গুরুত্বপূর্ণ দল -কৃষিমন্ত্রী বিশ্বনাথে সাজাপ্রাপ্ত আসামি সুহেল গ্রেফতার বেলকুচিতে সরকারি জমি দখল করে অবৈধভাবে দোকান নির্মাণ কাজিপুরে বন্যায় রোপা আমন ধান তলিয়ে জাওয়ায় ১৩ হাজার ৩৭১ কৃষের কপালে ভাজ বিশ্বনাথে প্রতিপক্ষের হামলায় আহত – ১ উল্লাপাড়ায় ট্রাকচাপায় কলেজ ছাত্রসহ নিহত ২

মধুপুরে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে অনুমোদন বিহীন অসংখ্য বেকারি চলছে সমিতির মাধ্যমে

আঃ হামিদ মধুপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধিঃ

 

টাঙ্গাইলে মধুপুর উপজেলার মির্জাবাড়ী ইউনিয়নের আম্বাড়িয়া নামক স্থানে লামিয়া বেকারিতে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে মেয়াদ উত্তীর্ণ উপকরণ দিয়ে বেকারি খাদ্য তৈরি ও অনুমোদনহীন ক্যামিক্যাল ব্যবহার করে তৈরী করা হচ্ছে পাউরুটি, কেক, রোলক্রীম, বিস্কুটসহ বিভিন্ন রকমের মুখরোচক রসালো খাবার।ময়দা ও ডালডা দিয়ে তৈরি হচ্ছে মাখন। কেকের জন্য তৈরী মিশ্রিত ময়দার ড্রামে অসংখ্য মশা মাছি মরে পড়ে থাকতে দেখা যায়। একই পোড়া মবিলে বারবার ভাজা হচ্ছে বিভিন্ন রকমের রসালো শিশুখাদ্য যা খেয়ে ছেলে মেয়েরা আক্রান্ত হচ্ছে ডায়রিয়াসহ বিভিন্ন রোগে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় উপজেলার আম্বাড়িয়া গ্রামে লামিয়া ব্রেড এন্ড বিস্কুট ফ্যাক্টরিতে অনুমোদনহীন ক্যামিক্যাল ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরি হচ্ছে বেকারি খাদ্যপণ্য।
বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায় উৎপাদন ও মেয়াদ উর্ত্তীনের তারিখ ছাড়াই বিক্রি হচ্ছে এইসব বেকারি খাদ্য।বেকারি খাদ্য তৈরিকারকদের কোন প্রকার স্বাস্থ্য পরিক্ষা না করে, সরকারি বিধিনিষেধ অমান্য করে কঠোর লকডাউনের মধ্যেও মাস্কবিহীন ও স্বাস্থ্যবিধি মানার কোন তোয়াক্কা না করেই খালি হাতেই তৈরি করছেন এইসব বেকারি খাদ্যপণ্য। এতে করে করোনা ভাইরাসে সংক্রামিত হওয়ার আসংখ্যা করছেন বিশিষ্টজনেরা
বেকারির প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখতে চাইলে মালিকপক্ষ জানান কারখানার সমস্ত কাগজপত্র মধুপুর বেকারি মালিক সমিতির সভাপতি আনোয়ার হোসেনের কাছে জমা আছে বলে তিনি জানান।
বর্তমানে মধুপুর উপজেলার প্রায় শতাধিক বেকারি কোন প্রকার কাগজপত্র ছাড়াই শুধুমাত্র সমিতির মাধ্যমে চালিয়ে যাচ্ছেন।
লামিয়া বেকারির মালিক ইনকাম ট্যাক্সের এক অফিসারের কথা বলে মুঠোফোন ধরিয়ে দিলে জানা যায় তিনি জেলা বেকারি মালিক সমিতির এক কর্মকর্তা।
কোন কাগজপত্র ছাড়া সমিতির মাধ্যমে কি ভাবে বেকারিগুলো চলছে তা নিয়ে নানা প্রশ্ন এলাকাবাসীর।
ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে উঠা সকল অবৈধ বেকারি মালিকদের নিরাপদ খাদ্য ও ভোক্তা অধিকার আইন সংরক্ষণ ২০০৯ এর আওতায় এনে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য উর্ধতন কর্তৃপক্ষে সুদৃষ্টি কামনা করেছেন এলাকাবাসী।

সংবাদটি শেয়ার করুন

© All rights reserved
error: Alert: Content is protected by Frilix Group