বৃহস্পতিবার, ০৪ মার্চ ২০২১, ০৭:১২ অপরাহ্ন

শিরোনামঃ
চৌহালীতে ইউনিয়ন আ’লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম এর ইন্তেকাল তাড়াশে ড্রাম ট্রাকের চাপায় প্রাণ হারালেন চালক নাগরপুরে ৭ ও ২৬ মার্চ উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতিসভা সলঙ্গায়  সিজদারত অবস্থায় এক মুসল্লির মৃত্যু চৌহালীতে ইউনিয়ন আ’লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত চৌহালীতে ঘোরজান ইউনিয়ন ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতার জন্মদিন উপলক্ষে নাগরপুরে কেক কাটা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত সিরাজগঞ্জে গ্রাম আদালতের মাধ্যমে ১৫ টি ইউনিয়নে পুরাতন মোটরসাইকেল হস্তান্তর যাত্রী বাহী বাসে অজ্ঞান এক মহিলার পাশে দাড়ায় প্রত্যয় ব্লাড ডোনেশন

দাম বেড়েছে শাক-সবজির

সপ্তাহের ব্যবধানে চালের বাজার স্থিতিশীল থাকলেও মাছ-মুরগি ও শাক-সবজির দাম বেড়েছে। সবজিভেদে কেজিতে ১০-২০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে দাম। আর মাছের বাজার বেড়েছে ১০-১৫ টাকা। বিভিন্ন মুরগির দাম কেজিতে ২০-৫০ টাকা বেড়েছে।

এদিকে মাছ, মুরগি, সবজির দাম বাড়লেও আদা, রসুন ও পেঁয়াজের দাম কমেছে। আর দাম অপরিবর্তিত রয়েছে গরু ও খাসির মাংস, চাল, ডাল, ডিম, আলু, তেল, লবন, চিনিসহ অন্যান্য পণ্যের।

শুক্রবার (১২ জুন) রাজধানীর উত্তরা, মিরপুর, রামপুরা, মালিবাগ, খিলগাঁও, শান্তিনগর, মতিঝিল, ফকিরাপুল এলাকা ঘুরে এসব চিত্র উঠে আসে।

এসব এলাকার বাজারে বর্তমানে প্রতিকেজি আকারভেদে ঝিঙা-চিচিঙা-ধন্দুল বিক্রি হচ্ছে ৪০-৬০ টাকা, পটল ৪০-৫৫ টাকা, কাকরোল ৬০-৭০ টাকা, করল ও উস্তি ৬০-৭০ টাকা, কচুর ছড়া ৫০-৬০ টাকা।

প্রতিকেজি টমেটোর (প্রকারভেদে) দাম বেড়েছে ১০ টাকা পর্যন্ত। টমেটো কেজেদরে বিক্রি হচ্ছে ৪০-৬০ টাকা, পেঁপে ৪০-৬০ টাকা, ঢেঁড়স ৪০-৫০ টাকা, কচুর লতি ৫০-৬০ টাকা, বেগুন ৪০-৮০ টাকা, কাঁচা মরিচ ৫০-৬০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৩০ টাকা।

সপ্তাহের ব্যবধানে বাজারে ধনিয়া পাতার দাম ৮০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। বর্তমানে প্রতিকেজি ধনিয়াপাতা ২০০ টাকা কেজিদরে বিক্রি হচ্ছে। আর আলু, কলা, বড় কচু, লেবু, পুদিনা পাতা, লাউ, জালি কুমড়ার দাম অপিরবর্তিত রয়েছে।

শাকের বাজারেও বেড়েছে দাম। প্রতি আটিতে (মোড়া) বেড়েছে দুই থেকে তিন টাকা। বর্তমানে প্রতি আটি (মোড়া) কচু শাক বিক্রি হচ্ছে ১০-১২ টাকা, লাল শাক ১২-১৫ টাকা, মূলা ১২-১৫ টাকা, পালং শাক ১৫ টাকা, লাউ ও কুমড়া শাক ৩০-৪০ টাকা, পুঁইশাক ১৫-২০ টাকায়।

অপরিবর্তিত আছে গরু ও খাসির মাংসের দাম। এসব বাজারে প্রতিকেজি গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৫৮০-৬০০ টাকা, মহিশের মাংস ৬০০ টাকা, খাসির মাংস ৮০০ টাকা, বকরি ৭৫০ টাকা কেজিদরে বিক্রি হচ্ছে।

তবে মুরগির বাজারে সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিপ্রতি ২০-৫০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। এতে প্রতিকেজি বয়লার বিক্রি হচ্ছে ১৫৫-১৬০ টাকা কেজি দরে, কেজিতে ২০ থেকে বেড়ে প্রতিকেজি লেয়ার ২২০ টাকা, সাদা লেয়ার ১৯০ টাকা কেজিদরে। কেজিতে ২০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত বেড়ে প্রতিকেজি সোনালি মুরগী বিক্রি হচ্ছে ২৫০ থেকে ২৮০ টাকা, প্রতিকেজি দেশি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৫৫০ থেকে ৬০০ টাকা কেজিদরে।

মুরগির দাম বাড়লেও অপরিবর্তিত আছে ডিমের দাম। বর্তমানে প্রতি ডজন লাল ডিম (আকারভেদে) বিক্রি হচ্ছে ৯০-৯৫ টাকা, দেশি মুরগি ১৪০-১৫০ টাকা, সোনালী মুরগী ডিমি বিক্রি হচ্ছে ১২০-১৩০, হাঁস ১১৫-১২৫ টাকা, কোয়েল প্রতি ১০০ পিস ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

দাম বাড়তি রয়েছে মাছের বাজারে। এসব বাজারে দাম বেড়ে প্রতিকেজি কাঁচকি মাছ বিক্রি হচ্ছে ৩৮০-৪২০ টাকা কেজিদরে, মলা ৪০০-৪৫০ টাকা, ছোট পুটি (তাজা) ৫৫০-৬০০ টাকা, ছোট পুটি ৩০০-৪০০ টাজা, টেংরা মাছ (তাজা) প্রতিকেজি ৭০০-৮০০ টাকা, দেশি টেংরা ৫০০-৫৫০ টাকা কেজিদরে।

প্রতিকেজি শিং (আকারভেদে) বিক্রি হচ্ছে ৩০০-৫৫০ টাকা, পাবদা ৩২০-৫৫০ টাকা, চিংড়ি (গলদা) ৪০০-৭০০ টাকা, বাগদা ৫৫০-১০০০ টাকা, হরিণা ৪০০-৫৪০ টাকা, দেশি চিংড়ি ৩৫০-৫৫০ টাকা, রুই (আকারভেদে) ২৫০-৩৫০ টাকা, মৃগেল ২০০-৩২০ টাকা, পাঙাস ১৫০-২০০ টাকা, তেলাপিয়া ১৪০-১৮০ টাকা, কৈ ১৮০-২০০ টাকা, কাতল ২০০-৩২০ টাকা কেজিদরে বিক্রি হতে দেখা গেছে।

আর এককেজি ওজনের ইলিশ ১০০০-১০৫০ টাকা বিক্রি হচ্ছে, ৭৫০ গ্রাম ওজনের ইলিশ ৭৫০ টাকা থেকে ৮০০, ছোট ইলিশ আকারভেদে ৩৮০-৪৫০ টাকা কেজি।

তবে দাম কমেছে পেঁয়াজ, আদা ও রসুনের। কেজিতে পাঁচ টাকা কমে এসব বাজারে প্রতিকেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৪০-৪৫ টাকা, প্রতিকেজিতে ২০ টাকা কমে প্রতিকেজি রসুন বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১৩০ টাকা কেজি দরে। কেজিতে ১০-২০ টাকা কমে প্রতিকেজি আদা বিক্রি হচ্ছে (মানভেদে) ১৪০-১৫০ টাকা কেজিদরে।

বাজারে অপরিবর্তিত আছে ভোজ্যতেলের দাম। বর্তমানে খোলা সয়াবিন (লাল) বিক্রি হচ্ছে ৯৫-১০৫ টাকা লিটার, খোলা (সাদা) সয়াবিন বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকা লিটার। খোলা সরিষার তেল বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকা লিটার।

চালের দাম অপিরবর্তিত থাকায় বর্তমানে প্রতিকেজি মিনিকেট (নতুন) চাল বিক্রি হচ্ছে ৫৫-৫৮ টাকা কেজি, মিনিকেট পুরান ৬০ টাকা, বাসমতি ৬০-৬২ টাকা, প্রতিকেজি আটাশ চাল বিক্রি হচ্ছে ৪৪ টাকা, এক সিদ্দ চাল বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা, পাইজাম ৪০ টাকা, প্রতিকেজি পোলাও বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১০৫ টাকা কেজিদরে।

প্রতিকেজি ডাবলী ডাল বিক্রি হচ্ছে ৪৫ টাকা, এংকর ৫০ টাকা, প্রতিকেজি দেশি মসুর ডাল বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকা, মসুর (মোটা) ৮০ টাকা কেজিদরে।

বাজারে সবজির বাড়তি দাম নিয়ে ক্রেতা-বিক্রেতার মধ্যে রয়েছে ভিন্নমত। ক্রেতারা বলছেন, বাজারে সবজির ঘাটতি না থাকলেও বেশি মুনাফার আশায় ব্যবসায়ীরা পণ্যের দাম বাড়াচ্ছেন। আর বিক্রেতারা বলছেন, অনেক সবজির বর্তমানে সিজন নেই, তাছাড়া বাজারে সবজির সংকট থাকায় পাইকার বাজারে বাড়তি দাম রয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

© All rights reserved
error: Alert: Content is protected by Frilix Group