শনিবার, ১২ Jun ২০২১, ০৯:০৫ অপরাহ্ন

শিরোনামঃ
কালিগঞ্জে হারুন এগ্রিকালচার ফার্ম পুকুরে বিষ প্রয়োগ, ৩ লক্ষ টাকার ক্ষতি সলঙ্গার রামকৃষ্ণপুরে ডিজিটাল কায়দায় বয়স্ক ভাতার টাকা চুরি কাজিপুরে মৎস্য কর্মকর্তার অভিযানে ২৫ টি চায়না জাল জব্দ আওয়ামী লীগ নেতাকে মারপিট,মনিগ্রাম বাজারে আতংক এখন আফাজ কামারখন্দে কৃষিজমিতে নদীখননের বালি রাখার প্রক্রিয়ার প্রতিবাদে কৃষকদের বিক্ষোভ সিরাজগঞ্জে বিদ্যুৎ গ্রাহকদের নানা অভিযোগের প্রেক্ষিতে গণশুনানী কালিগঞ্জ থানায় কুখ্যাত চোর জালালসহ ওয়ারেন্টভুক্ত ০৪ আসামী গ্রেফতার সিরাজগঞ্জে জেলা পর্যায়ে করোনা প্রতিরোধ বিষয়ক কার্যক্রম সুসমন্বয়ের লক্ষ্যে-মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত নাগরপুরে দূর্যোগ বিষয়ক স্থায়ী আদেশাবলী অবহিতকরণ কর্মশালা কালিগঞ্জের হাড়দ্দহা গ্রামে জনকল্যাণার্থে নলকূপ স্থাপন করলেন যুক্তরাজ্য প্রবাসী শেখ নাসিরউদ্দীন

স্ত্রীর সম্মতি ছাড়া যৌন সম্পর্ককে ধর্ষণের সামিল বলে গন্য করা হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক:

 

 

স্ত্রীর সম্মতি ছাড়া কোনো স্বামী যদি যৌন সম্পর্ক স্থাপন করে তাহলে সেটাকে ‘বৈবাহিক ধর্ষণ, অর্থাৎ ‘ম্যারিটাল রেপ’ হিসেবে গণ্য করে আইন সংশোধনে সরকারের সংশ্লিষ্টদের প্রতি লিগ্যাল (আইনি) নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

রোববার (১ নভেম্বর) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. জাহিদ চৌধুরী জনি এই নোটিশ পাঠান। দেশে আইনের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এই নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

লিগ্যাল নোটিশে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব, বাংলাদেশ ল কমিশনের চেয়ারম্যান, ন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস কমিশন অব বাংলাদেশের চেয়ারম্যান, মহিলা ও শিশু বিষয়ক অধিদফতরের ডিজি এবং সমাজসেবা অধিদফতরের ডিজিকে বিবাদী করা হয়েছে।

নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, বাংলাদেশের প্রচলিত নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন এবং দণ্ডবিধির কোথাও নারীর বৈবাহিক জীবনে তার স্বামী কর্তৃক যদি ধর্ষিত হয়, তাহলে ধর্ষণ সংক্রান্ত বিষয়ে কোনো আইনি পদক্ষেপ ওই নারী নিতে পারেন না। এছাড়া সামাজিকতার প্রেক্ষাপটে কখনো এ বিষয়টা নিয়ে জনসম্মুখে আসতেও পারেন না তিনি।

 

গবেষণায় তথ্য উঠে এসেছে, এ বছর দেশের ৬৪ জেলার মধ্যে ২৭ জেলাতেই বৈবাহিক ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। জাতিসংঘ হিউম্যান রাইটস কমিশন ১৯৯৩ সালে বৈবাহিক ধর্ষণ, অর্থাৎ ম্যারিটাল রেপকে মানবাধিকার লংঘন হিসেবে উল্লেখ করেছে। এ পর্যন্ত প্রায় ১৫০টি দেশের বৈবাহিক ধর্ষণকে অপরাধী হিসেবে বিবেচনা করে আইন রয়েছে। কিন্তু এই একবিংশ শতাব্দীতে এসেও বাংলাদেশে বৈবাহিক ধর্ষণ সংক্রান্ত বিষয়ে কোনো আইনি বা শাস্তির কথা উল্লেখ নেই।

দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী বৈবাহিক সম্পর্ক নেই এমন কোনো ব্যক্তি ধর্ষণ করলে তার শাস্তির বিধান থাকলেও পারিবারিক নির্যাতনের মাধ্যমে যে নারীরা ধর্ষণের শিকার হচ্ছেন, তাদের জন্য আইনের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে আইন সংশোধন এখন সময়ের দাবি বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

© All rights reserved
error: Alert: Content is protected by Frilix Group